ই-নলেজ এ আপনাকে সুস্বাগতম।এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং ই-নলেজ এর অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন।বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...।

80 বার প্রদর্শিত
14 জানুয়ারি "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন (নবীন) (35 পয়েন্ট)  
12 ফেব্রুয়ারি বিভাগ পূনঃনির্ধারিত করেছেন
প্রশ্নঃ 27 টি, উত্তরঃ 0 টি এবং মন্তব্যঃ 3 টি।
80 বার প্রদর্শিত

গান বাজনা করা কি হারাম?

কুরআন ও হাদীসের কোথাও কি বলা আছে?
রেফারেন্স  সহ জানতে চাই?
বন্ধ
15 জানুয়ারি মন্তব্য করা হয়েছে করেছেন (বিশারদ) (1,215 পয়েন্ট)  

ইবনুল কায়্যিম (রহিঃ) গান-বাজনার ক্ষতিকর দিক ব্যাখা করতে গিয়ে বলেন,”গান-বাজনাকে জিনা-ব্যভিচারের প্ররোচনাদানকারি বলা মোটেই ভুল হবেনা, কারন  গান-বাজনার চেয়ে যিনার দিকে প্ররোচনাদানকারী কার্যকর আর কোন মা্ধ্যম নেই।” [ইঘাছাত আল-লাহফান;১/২৪৫]

2 উত্তর

2 পছন্দ 0 অপছন্দ
14 জানুয়ারি উত্তর প্রদান করেছেন (বিশারদ) (2,457 পয়েন্ট)  
20 জানুয়ারি নির্বাচিত করেছেন
 
সর্বোত্তম উত্তর

গান বাজনা ইসলামে হারাম করা হয়নি। মানুষের জন্য হারাম সকল বিষয়ই পবিত্র কোরআনে আলোচনা করা হয়েছে। যদি কোনো কিছুকে হারাম বুজতে হয় তাহলে কোরআনের রেফারেন্স লাগবে। কিন্তু কোরআনের এমন একটি আয়াতও নেই যেখানে বলা হয়েছে গান হারাম। দাউদ (আ) এর নিকট আল্লাহ আসমানী কিতাব যাবুর নাজিল করেছেন। যাবুর মানে হল সুর বা সঙ্গীত। আল্লাহ এক নবীর কাছে সঙ্গীতের কিতাব পাঠাবেন আরেক নবীকে দিয়ে তা কেন নিষিদ্ধ করবেন? উল্লেখ্য যে পবিত্র কোরআনকে সুরের ছন্দে পড়া হয়। এমনকি সুর মিলিয়ে কোরআন পড়া বাধ্যতামূলক। সুর ছাড়া পড়লে গুনাহ হয়।

রুবায়ই বিন্‌তু মু‘আওয়িয (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেছেন, আমার বাসর রাতের পরদিন সকালে নবী (সা) আমার নিকট এলেন এবং তুমি (খালিদ ইব্‌নু যাকওয়ান) যেমন আমার কাছে বসে আছ ঠিক সেভাবে আমার পাশে আমার বিছানায় এসে বসলেন। তখন কয়েকজন ছোট বালিকা দুফ্‌ (বাদ্য যন্ত্র ) বাজিয়ে বাদ্‌রে নিহত শহীদ পিতাদের প্রশংসা গীতি আবৃত্তি করছিল। শেষে একটি বালিকা বলে উঠল, আমাদের মাঝে এমন একজন নবী আছেন, যিনি জানেন, আগামীকল্য কী হবে। তখন নবী (স) বললেন এমন কথা বলবে না বরং আগে যা বলছিলে তাই বল।

ফুটনোটঃ [১১] একমুখ খোলা অপর প্রান্তে চামড়া লাগানো তবলাকে দুফ্‌ বলা হয়, বিবাহ ও ‘ঈদের দিন আনন্দ প্রকাশের জন্য তা বাজিয়ে নাবালিকা মেয়েদের আপত্তিকর কথা বিবর্জিত গীত গাওয়া নিঃসন্দেহে বৈধ।
সহীহ বুখারী : ৪০০১

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আবু বক্‌র (রাঃ) তাঁর নিকট এলেন। এসময় মিনার দিবসগুলোর এক দিবসে তাঁর নিকট দুটি মেয়ে দফ বাজাচ্ছিলো, নবী (সা) তাঁর চাদর আবৃত অবস্থায় ছিলেন। হে আবু বক্‌র! ওদের বাধা দিওনা। কেননা, এসব ‘ঈদের দিন। আর সে দিনগুলো ছিলো মিনার দিন। 
সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৯৮৭
হাদিসের মান: সহিহ

তবে একটি হাদিস আছে যেখানে বলা হয়েছে, আমার উম্মতের মধ্যে এমন একদল লোক থাকবে যারা জিনা, সিল্ক, মদ ও বাদ্যকে হালাল করবে। (সহীহ বুখারী : ৫৫৯০)

তবে কোনো কিছুকে হারাম করতে কোরআনের রেফারেন্স থাকতে হবে। বুখারী ৫৫৯০ হাদিসে রেসমি কাপড়ের এখানে মদ ও জেনার সাথে রাখা হয়েছে। অর্থাৎ যেসকল গান মানুষের ইমান নষ্ট করে, পাপ কাজে উৎসাহ দেয়। অশ্লীলতা তৈরি করে সেগুলো সম্পূর্ণ হারাম।
অতএব বলা যায় গান যদি হয় অশ্লীল, ইসলাম বিমুখ তাহলে সেটা নিষিদ্ধ। বাকি সকল গান জায়েজ আছে।
মো: তানজিদ হোসাঈন চৌধুরী একজন জ্ঞান পিপাসু ব্যক্তি। নিজে জানার আর অন্যকে জানানোর অদম্য ইচ্ছার প্রয়াসে ই-নলেজে এসেছেন।ভবিষ্যতে একজন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার এবং সমাজ সংস্কারের লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন তিনি। আপনাদের সকলের নিকট দোয়াপার্থী। ই-নলেজের সাথে আছেন সমন্বয়ক হিসেবে।
14 জানুয়ারি মন্তব্য করা হয়েছে করেছেন (নবীন) (35 পয়েন্ট)  
তাহলে নাটক সিনেমা মধ্যে যে গান থেকে সেই গুলো কি জায়েজ।
14 জানুয়ারি মন্তব্য করা হয়েছে করেছেন (বিশারদ) (2,457 পয়েন্ট)  
15 জানুয়ারি সম্পাদিত করেছেন
যদি নাটক সিনেমার গানগুলো খারাপ হয় অথবা অশ্লীল তাহলে সেটা নিষিদ্ধ বা নাজায়েজ। ভালো গান যেগুলো ব্যক্তিকে অধার্মিক করে না। অশ্লীলতা নেই। সেগুলো জায়েজ আছে।

তবে বর্তমানে টিভিতে, সিনেমাতে অথবা হিন্দি যে গানগুলো দেখানো হয় সেগুলো অধিকাংশে অশ্লীলতা দেখা যায়। সেগুলো নিষিদ্ধ।

পিয়ানো, দেশত্ববোধক গান, ইসলামিক গান বা গজল ইত্যাদি এগুলো শোনা যাবে।
15 জানুয়ারি মন্তব্য করা হয়েছে করেছেন (বিশারদ) (2,373 পয়েন্ট)  

কুরআন ও হাদিস একে অপরের পরিপূরক। সূরা হাশরের ৭ নং আয়াতে বলা হয়েছে "রাসুল তোমাদের যা দেন তা তোমরা গ্রহণ কর। আর যা নিষেধ করেন তা থেকে বিরত থাক।"
আবার মহানবি (স.) নিজেই বলেছেন যে, "আমি তোমাদের মধ্যে দুটি বস্তু রেখে যাচ্ছি। যতদিন তোমরা এ দুটোকে আঁকড়ে থাকবে ততদিন পর্যন্ত তোমরা পথভ্রষ্ট হবে না। একটি হলো আল্লাহর কিতাব এবং অপরটি রাসুলের সুন্নাহ"। আবার কুরআনে বলা হয়েছে "আর তিনি (মহানবি স.) নিজ প্রবৃত্তি থেকে কোনো কথা বলেন না । তা তো ওহি, যা তাঁর প্রতি প্রত্যাদেশ হয়।"(সূরা আন-নাজম,আয়াত ৩-৪)।
এখন আমার কথা হলো যে , হাদিস যদি কুরআনের ব্যাখ্যা স্বরূপ হয় তাহলে কেন কোনো কিছুকে হারাম বুঝতে হাদিসের রেফারেন্স কেন যথেষ্ঠ নয়? কুরআনের ব্যাখ্যা বাধ্যতামুলক কেন? হাদিসের কথাও তো পরোক্ষভাবে আল্লাহরই কথা।

15 জানুয়ারি মন্তব্য করা হয়েছে করেছেন (বিশারদ) (2,457 পয়েন্ট)  
15 জানুয়ারি সম্পাদিত করেছেন

ঠিক। তবে হারাম বিষয়ের সংখ্যা সীমীত। হারাম ছাড়া বাকি সবকিছুই হালাল। হারাম সবকিছুই কোরআনে সুন্দর ভাবে বলা হয়েছে। হাদিস পরোক্ষ ভাবে আল্লাহর বানী। কিছু কিছু হাদিস গান বাজনাকে অনুমতি দেয়।
যেমন বুখারী : ৯৮৭, ৪০০১, তীরমীজী ৩৬৯০


আর এখানেতো আমি ইসলামিক গান বা গজল।দেশত্ববোধক গানকেই জায়েজ বলেছি। বাকি সব গানই হারাম হয়ে যায়। আলেমরাও একই মত পোষণ করেন যে সব গান হারাম নয় বরং অধিকাংশ গান হারাম।
1 টি পছন্দ 0 অপছন্দ
15 জানুয়ারি উত্তর প্রদান করেছেন (বিশারদ) (1,215 পয়েন্ট)  

আল্লাহ তায়ালা বলেন: “আর মানুষের মধ্য থেকে কেউ কেউ না জেনে আল্লাহর পথ থেকে মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য বেহুদা কথা খরিদ করে, আর তারা ঐগুলোকে হাসি-ঠাট্টা হিসেবে গ্রহণ করে।” [সূরা লুকমান ৩১: ৬ আয়াত]। বেশীর ভাগ তাফসীরকারকগণ এই আয়াতে ব্যবহৃত আরবী শব্দ ‍লাহওয়াল হাদীস বলতে গানকে বুঝিয়েছেন। সাহাবাদের ভেতর উলামা, ফুকাহা এবং মুফাসসীরিন হিসেবে পরিচিত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ, আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস এবং আব্দুল্লাহ ইবনে উমার(রা)-এই তিনজনেই এই আয়াতকে বাদ্য-বাজনা হারাম হওয়ার দলীল হিসেবে ব্যবহার করেছেন। ইমাম হাসান বছরী র. বলেন: উহা গান ও বাদ্য শানে নাজিল হয়েছে।[তাফসীর ইবনে কাসীর ৩/৪৫১] আল্লাহ তায়ালা শয়তানকে সম্বোধন করে বলেন: “তোমার কন্ঠ দিয়ে তাদের মধ্যে যাকে পারো প্ররোচিত কর।” [সূরা ইসরা ১৭: ৬৪ আয়াত]

ইসলামে বাদ্য-বাজনা হারাম এবং যারা একে হালাল মনে করে তারা আল্লাহর চরম অবাধ্যতায় লিপ্ত হয়ঃ

রাসূল (সাঃ বলেছেন, “আমার উম্মাতের মাঝে এমন কিছু লোক আসবে যারা ব্যভিচার, পশম, মদ ও বাদ্য-যন্ত্রকে হালাল করে নিবে।” [সহীহ বুখারীঃ ৫৫৯০] এই সহীহ হাদীস পরিষ্কার বলে দিচ্ছে যে, বাদ্য-যন্ত্র হারাম। যারা হারামে লিপ্ত হবে তারা গুনাহগার হবে আর যারা হারামকে হালাল করে নিবে তারা কুফরিতে লিপ্ত হবে। আল্লাহ বলেন, “মুমিন নারী ও পুরুষকে এটি শোভা পায়না যে যখন আল্লাহ ও তাঁর রাসূল কোন বিষয় নির্ধারন করে দিবেন তখন তারা এর বিরোধিতা করবে। যে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিরোধিতা করবে সে অবশ্যই বড়ই ভুলের মধ্যে নিপতিত হবে।” [সূরা আল-আহযাবঃ ৩৬]

আরো জানতে এখানে ক্লিক করুন।

নাহিদ হোসেন মিতুল একজন জ্ঞান পিপাসু ও ধার্মিক ব্যাক্তি। বর্তমানে তিনি একজন ছাত্র।জ্ঞান অর্জন ও মানুষকে সাহায্য করাকেই বড় মনে করেন।তিনি তার চারপাশের বড় থেকে ছোট জিনিসের মধ্যে জ্ঞান অর্জন করেন।ইন্টারনেটের জগতে যুক্ত হয়েছেন শিক্ষামূলক ওয়েবসাইট ই- নলেজে।বিশাল সদস্যের এই পরিবারে তিনি "সম্পাদক" পদে নিযুক্ত আছেন।

সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
1
16 জানুয়ারি "ফাতাওয়া-আরকানুল-ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন TUFAZZAL ISLAM (নবীন) (35 পয়েন্ট)  
1 উত্তর
2
2 টি উত্তর
3
07 জানুয়ারি "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Tanzith (বিশারদ) (2,457 পয়েন্ট)  
1 উত্তর
4
12 অক্টোবর 2019 "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন মো অনিক (প্রতিভাবান) (5,490 পয়েন্ট)  
1 উত্তর
5
07 জানুয়ারি "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Tanzith (বিশারদ) (2,457 পয়েন্ট)  

9,911 টি প্রশ্ন

10,587 টি উত্তর

1,053 টি মন্তব্য

297 জন সদস্য

ডাউনলোড অ্যাপ

ই-নলেজ বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম।কমিউনিটির এই প্ল্যাটফর্মের সদস্যের মাধ্যমে আপনার প্রশ্নের উত্তর বা সমস্যার সমাধান পেতে পারেন পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন।মূলত এটি বাংলা ভাষাভাষীদের জন্য একটি প্রশ্নোত্তর ভিত্তিক কমিউনিটি। বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি অনলাইনে উন্মুক্ত তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা আমাদের লক্ষ্যে।

ফেসবুক বন্ধুদের আমন্ত্রণ

আপনার ফেসবুক বন্ধুদের ই-নলেজ এ আমন্ত্রণ জানান

ই-নলেজকে Rate ও Review দিন!

2 জন অনলাইনে আছেন
0 জন সদস্য 2 জন অথিতি
আজকের ভিজিটর : 1941
গতকাল ছিলেন : 5668
সর্বমোট : 858763
  1. জামিনুল রেজা

    658 পয়েন্ট

    105 টি উত্তর

    9 মন্তব্য

    63 টি প্রশ্ন

  2. আদিব মাহমুদ

    510 পয়েন্ট

    120 টি উত্তর

    1 মন্তব্য

    123 টি প্রশ্ন

  3. Muminul Islam

    419 পয়েন্ট

    30 টি উত্তর

    14 মন্তব্য

    42 টি প্রশ্ন

  4. Robiul Islam Raby

    179 পয়েন্ট

    12 টি উত্তর

    12 মন্তব্য

    13 টি প্রশ্ন

  5. Md. Asif Ali

    146 পয়েন্ট

    32 টি উত্তর

    1 মন্তব্য

    31 টি প্রশ্ন

ই-নলেজে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন, উত্তর ও মন্তব্যের দায়ভার শুধুমাত্র প্রকাশকারী সদস্যের ।এর জন্য ই-নলেজ কতৃপক্ষ কোনো ভাবে দায়ী নয়। 
...